আফ্রিদির বাবাকে যখন গুলশান থেকে গ্রেফ/তার করা হলো, সেদিন রাতেই আফ্রিদি লুকিয়ে পালিয়ে যায় নোয়াখালীতে। সেখানে আশ্রয় নেয় তার এক সময়ের আস্থাভাজন বন্ধু রাহির বাসায়। কিন্তু কপালের ফের—যে রাহিকে সে নিজের কাছের মানুষ ভেবেছিল, সেই-ই গোপনে তার প্রতিটি অবস্থান আর পরিকল্পনা বাইরে ফাঁ/স করে দিতে থাকে!
বিষয়টা আঁচ করতে দেরি হয়নি আফ্রিদির। তখনই দ্রুত নোয়াখালী থেকে পালিয়ে বরিশাল পৌঁছায় সে। কিন্তু তখন আর খুব বেশি কিছু করার সুযোগ ছিল না। কারণ, রাহি ইতিমধ্যেই দেশের এক প্রভাবশালী সাংবাদিককে সব তথ্য সরবরাহ করে দিয়েছে। সেই সূত্র ধরে শেষ পর্যন্ত ডিবি বরিশাল থেকে সফলভাবে আফ্রিদিকে গ্রেফ/তার করে।
এই ঘটনাটা একটা শিক্ষা দিয়ে যায়—জীবনে কাউকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করবেন না। যাকে আপনি আজ ঘনিষ্ঠ বন্ধু ভাবছেন, কাল সেই-ই হয়তো আপনার পিঠে ছু/রি মা/রতে এক মুহূর্ত দেরি করবে না।

No comments:
Post a Comment