আজ বাগেরহাটের সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল হোসেন সাদ্দামের স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে আত্মহত্যা করেছে৷ সাদ্দামের যে ক্ষতি হয়েছে তার শান্তনা দেওয়া ভাষা কারোই নাই।
তবে এঘটনা নিয়ে আমাদের দলের কিছু অতিবিপ্লবী বা
গুপ্ত শিবির ন্যারেটিভ দাড় করানোর চেষ্টা করছে শেখ
তন্ময় সাদ্দামের পরিবারের কোন খোঁজখবর নেয়নি ফলে অর্থাভাবে না খেয়ে হতাশায় আত্মহত্যা করেছে!!
কিন্তু বাস্তবতা হলো শেখ তন্ময় এমপি সাদ্দামসহ বাগেরহাট -২ আসনের প্রতিটি রাজবন্দিকে আইনি সহযোগিতা এবং আর্থিক সহযোগিতা করে পারিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে।
২০২৪ এর ৫ জানুয়ারীর পর থেকে বাগেরহাটের -২ আসনের এমপি শেখ তন্ময় এবং বাগেরহাটের -৪ আসনের এমপি এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ নিজেরা চরম বিপদে থেকেও যেভাবে সাধারণ কর্মীদের পাশে দাড়িয়েছেন তা সত্যিই অভূতপূর্ব।
নোটঃ ২০২৪ এর ৫ আগষ্ট জঙ্গিরা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করার পর সবাই যখন জঙ্গিদের হাত থেকে নিজের জীবন বাঁচাতে পালিয়ে যাচ্ছেন।
তখন শেখ তন্ময় তার বাবার তত্বাবধানে টুঙ্গিপাড়ার শেখ বাড়িতে শত-শত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের আশ্রয় দিয়ে জীবন বাচিয়েছেন।
যাঁরা প্রায়ই বলেন এত কর্মী মারা গেলো কোন বড় নেতা মরলোনা কেনো? তাদের ইনফরমেশন দেই, এই শেখ হেলালের পরিবার সমস্ত নেতাকর্মীদের জীবন নিরাপদ করে সর্বশেষে তারা জীবন বাঁচাতে অজানার উদ্দেশ্য রওয়ানা দিয়েছিলেন।
No comments:
Post a Comment